জয়ের কর্মকাণ্ড অশ্লীল ও বিব্রতকর: শেলী মান্না

একটি টিভি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শুরু হয় উপস্থাপক জয় ও শেলী মান্নার অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ। অনুষ্ঠানের একটি পর্বে কেবিন ক্রুদের প্রেম ও বিদেশ থেকে কেনা জিনিসপত্র দেশে এনে বিক্রি করা প্রসঙ্গে অতিথিকে প্রশ্ন করেন জয়, যা মেনে নিতে পারেননি প্রযোজনা সংস্থা কৃতাঞ্জলী চলচ্চিত্রের কর্ণধার ও কেবিন ক্রু হিসেবে কর্মরত শেলী মান্না। ক্ষুব্ধ হয়ে ফেসবুকে এ নিয়ে প্রতিবাদও করেন তিনি। সেখানে সাত দিনের মধ্যে জয়কে জনসমক্ষে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। জয় ক্ষমা না চাওয়ায় তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠিও পাঠান তিনি। সেই চিঠির ভাষাকে অশ্লীল বলার প্রতিবাদ করেছেন শেলী মান্না।

শেলী মান্না জানান, জয় তারকাসহ বিভিন্ন অঙ্গনের ব্যক্তিদের তাঁর অনুষ্ঠানে ডেকে অযাচিত প্রশ্ন করেন। শিল্পী হয়ে তিনি অন্য শিল্পীদের অসম্মান করেন। তিনি বলেন, ‘তাঁর (জয়ের) কাজ শুধু নেগেটিভ প্রশ্ন করা। এ জন্য তিনি বেছে নেন সেলিব্রিটিদের। তিনি কোনো গেস্টকে এভাবে অসম্মান করতে পারেন না।’ চিঠির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার চিঠিতে অশালীন কিছু নেই। তাঁর অনুষ্ঠানে অনেক তারকাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়, ছোট করা হয়। পজিটিভ ব্যাপারগুলো তিনি জানতে চান না, শুধু নেগেটিভ বিষয় দিয়ে মানুষকে এন্টারটেইন করাতে চান।’ তিনি বলেন, ‘সব জায়গার কিছু নিয়মনীতি আছে। কেউ চাইলেই নিজের ইচ্ছামতো যা খুশি তা–ই করতে পারেন না। তাঁর অনুষ্ঠানের সেন্সর হওয়া দরকার। তিনি কোনো সম্প্রদায়কে আক্রমণ করতে পারেন না। এতে তাঁরই সুনাম নষ্ট হচ্ছে।’

শেলী মান্নার চিঠি পাওয়ার পর জয় প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘শেলী ভাবি জ্ঞানী মানুষ। আমরা তাঁকে বাড়তি জ্ঞান দিতে চাই না। আমার ধারণা, তাঁকে জ্ঞান দেওয়ার অনেক লোক আছেন। আমি শুধু বলতে চাই, আপনি অযথাই বিষয়টিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। আপনার থামা উচিত।’ এ প্রসঙ্গে শেলী মান্না বলেন, ‘আমাকে জ্ঞান দিতে হবে কেন! তিনি কি মনে করেন আমার নিজস্ব কোনো চিন্তাচেতনা নেই? আমার প্রশ্ন, জয় সাহেব, আমি কোন জায়গায় থামব? তাঁকে বলতে চাই, আপনি থামুন। নেগেটিভ বিষয়গুলো উন্মোচন করা বন্ধ করুন। আপনি মানুষের সম্মান ধূলিসাৎ করে এ রকম অনুষ্ঠান করতে পারেন না। ছোট বিষয়কে অতিরঞ্জিত করে টিআরপি বাড়াতে পারেন না। এটা মানহানিকর।’