জমে উঠেছে উল্লাপাড়ার ইফতারি বাজার

তানিম তূর্যঃ উল্লাপাড়ায় জমে উঠেছে ইফতারির বাজার। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতির কারণে গত বছরের চেয়ে এবার ইফতার সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পেলেও ক্রেতা সমাগমে নেই কোন ঘাটতি। পবিত্র রমজান মাসের শুরু থেকেই জমে উঠেছে ইফতারির দোকানগুলো। দিন দিন বেড়েই চলছে ক্রেতাদের ভিড় ও বিক্রেতার ব্যস্ততা। উল্লাপাড়া পৌরসভা এলাকায় বর্তমানে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ইফতার সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার সরেজমিনে উল্লাপাড়া পৌরসভা এলাকার শ্যামলীপাড়া,আ’লীগ পার্টি অফিস, কাঁচাবাজার, ঘোষগাঁতী, পুরাতন বাস স্ট্যান্ড, থানা মোড়, বিজ্ঞান মোড়, ঝিকিড়া, শ্রীকোলা,রেলস্টেশন বাজার সহ প্রায় ছোট বড় ২’শ থেকে ৩’শ টি ইফতার সামগ্রী বিক্রির দোকান ঘুরে দেখা যায়, দুপুর গড়াতে না গড়াতেই দোকানগুলোতে ইফতারির পসরা সাজিয়ে রাখা হচ্ছে। এর মধ্যে শাহী জিলাপি, ছোট জিলাপি, ছোলা, বুন্দিয়া, বেগুনি, পিয়াজু, ডিম চপ, চানাচুর, ঝুড়িভাজা, চিড়িয়া বাদাম, হালিম, মুড়ি রয়েছে। রোজাদারদের কাছে ইফতার সামগ্রীর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত বিভিন্ন ধরণের খেঁজুর সর্বনিম্ন ৮০ টাকা থেকে ৫’শ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও অন্যান্য সামগ্রীর মধ্যে জিলাপি ৮০ থেকে ১’শ টাকা কেজি, বুন্দিয়া ৮০ টাকা, সিদ্ধ ছোল ৮০ টাকা, বেগুনি ৫ টাকা পিছ, আলুর চপ ৫ টাকা পিছ, পিঁয়াজু ৫ টাকা পিছ, নিমকপোড়া ও চিড়া ভাজা ১’শ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আপেল ১’শ ৪০ থেকে ১’শ ৬০ টাকা, মাল্টা ১’শ ১০ থেকে ২’শ ২০ টাকা, রুহ আফজা ১’শ ২০ থেকে ২’শ ১০ টাকা, ট্যাং ১৩ থেকে ৫’শ ২০ টাকা, প্রতি হালি কলা প্রকারভেদে ২০ থেকে ২৫ টাকা, সলপের ঘোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা লিটার, ভেষজ শরবত, লেবুর শরবত ও আখের রস ১০ টাকা গ্লাস পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
আল সাত্তার হোটেল, মোহনা কফি হাউজ ও রহম আলী হোটেলের মালিক জানান, ক্রেতাদের কাছে জিলাপি, বুন্দিয়া, বেগুনি, পিয়াজু আর হালিমের বেশ কদর রয়েছে। আমাদের এখানে প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার ইফতারি বিক্রি হয়। রমজানের শুরু থেকে এখন ক্রেতার সংখ্যা বাড়ায় বিক্রিও ভাল হচ্ছে।মোহনা কফি হাউজে ইফতারি কিনতে আসা আবু হাসান নামের এক ক্রেতা জানান, সঠিক দাম ও খাবারের মান ভাল থাকায় প্রতিদিন এখন থেকে ইফতারি কিনি। সব কিছুর দাম ক্রয় সীমার মধ্যে আছে।