গাড়াদহ ইউপি চেয়ারম্যান পদে আ:লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সেলিম আক্তার

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার উত্তরের করতোয়া নদীর তীরবর্তী ২নং গাড়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ও অবহলিত গ্রামীন অবকাঠামোর উন্নয়ন করতে চান তরুন আ’লীগ নেতা সেলিম আক্তার। এজন্য তিনি তার দল আওয়ামীলীগ থেকে দলীয় প্রতীকের প্রত্যাশা করছেন।

সেলিম আক্তার গাড়াদহ ইউনিয়নের গাড়াদহ গ্রামের মৃত আলহাজ্ব নওশের আলীর (মাষ্টার) সুযোগ্য পুত্র ও গাড়াদহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি। কৃষক পরিবারের সন্তান সেলিম আক্তার গত ২ যুগের বেশী সময়কাল ধরে এলাকায় শুধু দলের ভিতরে নয় সাধারন মানুষের মন জয় করেছেন এই তরুন নেতা। তার বিশ্বাস গাড়াদহ ইউপি’র আওয়ামীলীগের বিজয় সুনিশ্চিত করতে উপযুক্ত প্রার্থী বাছাই করবেন দলের নিতিনির্ধারক গণ।

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী দলের ত্যাগী এ নেতা বলেন, তার জন্ম আওয়ামীলীগ পরিবারে। তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ব হয়ে তরুন প্রজন্মকে সু-সংগঠিত করে গাড়াদহ ইউপি’তে নৌকা প্রতীকের বিজয় সুনিশ্চত করতে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গাড়াদহ ইউপি নির্বাচনী এলাকায় দ্বারে দ্বারে গিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন বার্তা পৌছে দেওয়ার জন্য এলাকায় সার্বক্ষানিক দলের হয়ে কাজ করছেন।

তরুন এই নেতা নানামুখী প্রচারে নির্বাচনী শোডাউন, উঠোন বৈঠক, গণসংযোগ, ব্যানার, পোষ্টার, শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের লিফলেট ও নানা রংয়ের বিলর্বোড এর মাধ্যমে নিজের শক্ত অবস্থানের জানান দিয়েছেন। করোনাকালীন ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুযোগের সময় তিনি নিজস্ব অর্থায়নে দুঃস্থ ও অসহায় হাজারো মানুষের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেছেন।

শিক্ষিত ও ক্লীন ইমেজের করণে ইতিমধ্যেই তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। বিশেষ করে তাঁর বিনয়ী আচরণ দ্বারা স্থানীয় নেতা কর্মীসহ সর্ব সাধারনকে তিনি কাছে টানতে সক্ষম হয়েছেন। তাই এলাকার মানুষ তার উপরে দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে শুরু করছেন এবং এ ইউপি’তে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে দল তাকেই গাড়াদহ ইউনিয়নের নৌকার কান্ডারী হিসেবে মনোনয়ন দিবেন বলে তিনি আশাবাদী।

প্রতিবেদককে সেলিম আক্তার বলেন, আমি দলের মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত গ্রাম হবে শহর এ ঘোষণা আমি বাস্তবে রূপদান করবো। সরকারি ত্রাণ, অনুদান, ভাতা উন্নয়ন কর্মকান্ডে সুষম বন্টন করবো। মাদক, সন্ত্রাস, ভিক্ষুক, দারিদ্র, বেকারত্ব মুক্ত ইউনিয়ন গড়োবা, কর্ম সংস্থান সৃষ্টি করবো। বাল্যবিয়ে রোধকরা সহ একটি শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর ইউনিয়ন গড়ে তুলবো। জেলার মধ্যে গাড়াদহ ইউনিয়ন হবে দেশের শান্তির ও সুশীল সমাজের দৃষ্টান্তমূলক ডিজিটাল ইউনিয়ন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতি ভালোবাসা আমার রক্ত বিন্দুর শিঁড়ায় প্রবাহিত, দলের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে থেকেছি, দলের সাথে কখনো বেইমানী করি নাই। আশা করি সবকিছু বিবেচনা করে আওমীলীগ সভানেত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা আমাকে অবশ্যই মনোনয়ন দেবেন। আমি যদি মনোনয়ন পাই তাহলে অবশ্যই জয়লাভ করব। সেই সাথে ইউনিয়ন থেকে দুর্নীতির কালিমা মোচন করে জনগনের সমস্যা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করব।

উল্লেখ্য, সেলিম আক্তার ১৯৭৮ সালের ১ জুন গাড়াদহ ইউনিয়নের গাড়াদহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ১৯৯০ ইং সাল থেকে তালগাছি আবু ইসহাক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যায়ণরত অবস্থায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনৈতিক কর্মকান্ড সম্পর্কে ধারনা নিয়ে অত্র বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭-১৯৯৮ শিক্ষাবর্ষে সরকারি আকবর আলী কলেজ, উল্লাপাড়ায় বি.এস.এস ডিগ্রি কোর্সে ভর্তি হয়ে উক্ত কলেজে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ছাত্র সংসদের নির্বাচিত বার্ষিকী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সেলিম আক্তার ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্য়ন্ত শাহজাদপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১২ সালে গাড়াদহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের গরুর গাড়ী প্রতীক নিয়ে সম্মেলনের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচিত হন। পূনরায় ২০১৯ সালে গাড়াদহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে অদ্যবধি সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।