কবিগুরুর ভাষ্কর্য ভালে পাকুড় বৃক্ষ জন্মেছে!

শামছুর রহমান শিশির: ঊনবিংশ শতাব্দিতে বাংলার সাহিত্য গগণে ও বিশ্ব জ্ঞান পরিমন্ডলে ‘ভারস্যাটাইল জিনিয়াস’ খ্যাত কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরের বিসিক বাসস্ট্যান্ডে নির্মিত কবিগুরু’র ভাষ্কর্যের ভালে (কপালে) সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টির অভাবে অবশেষে পাকুড় বৃক্ষ জন্মেছে! দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন, অবহেলা, সংস্কার, চুনকামের অভাবে রবিকবির ভাষ্কর্য শীর্ষে এ ধরনের ঘটনার অবতারনা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে। এ ঘটনায় রবীন্দ্র ভক্ত ও অনুরাগীরা চরম বিষ্ময় প্রকাশ করে এ ঘটনার জন্য সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টির অভাবকেই দায়ী করেছেন।
অাজ মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন শাহজাদপুর পৌরসদরের বিসিক বাসস্ট্যান্ডে নির্মিত ভাষ্কর্য স্থল পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বছরের ২৫, ২৬ ও ২৭ বৈশাখ শাহজাদপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছারিবাড়িতে আয়োজিত ৩ দিনের জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠান উপলক্ষে কাছারিবাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও চুনকাম করা হয়ে থাকে। এছাড়া বছরের বাদবাকি সময়ে এসব বিষয় অবহেলিতই থেকে যায়। বর্তমান সরকার কবিগুরুর স্মৃতি চির অম্লানে ও শাহজাদপুরসহ বৃহত্তর পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে শাহজাদপুরের বিসিক বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় ‘রবীন্দ্র ভাষ্কর্য’ নির্মাণ ও শাহজাদপুরে ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’ নামের আন্তর্জাতিক মানের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছে। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রমও ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ‘কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত শাহজাদপুরে কবিগুরুর কাছারিবাড়ি ও রবিকবির ভাষ্কর্যের চুনকাম, রং, সংষ্কার বছরের একটা নির্দিষ্ট সময়ের পরিবর্তে যেনো সারাবছরই সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি থাকে’ – এমন দাবি রবীন্দ্র ভক্ত ও অনুরাগীদের।