এবার হার্ট ছিদ্র শিশুর পাশে মানবতার ফেরিওয়ালা ”মামুন বিশ্বাস”

চন্দন কুমার আাচার্যঃ ছেলে মুস্তাকিনের চিকিৎসা করাতে যখন নিঃস্ব বাবা আব্দুল্লাহ তখন তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন মানবতার ফেরিওয়ালা মামুন বিশ্বাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করেন মামুন বিশ্বাস। বুধবার সকালে বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওলিউজ্জামান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন, যমুনা টেলিভিশনের ষ্টাফ রিপোর্টার গোলাম মোস্তফা রুবেল, মামুন বিশ্বাস মুস্তাকিনের পরিবারের হাতে ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা তুলে দেন।বাকী ৬৬ হাজার টাকা আগামী শনিবার দিনুস্তাকিনের পরিবারের হাতে ফরিদ হোসেন নিজে উপস্থিত থেকে তুলে দিবেন। মামুন বিশ্বাস বলেন, সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা রুবেলের মাধ্যমে আমি জানতে পারি মুস্তাকিনের টাকা না থাকায় সন্তানকে নিয়ে অনেক কষ্ট করছেন ও চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে । এর পর আমি সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার গাড়ামাসি গ্রামে এসে মুস্তাকিনের পরিবারের খোজঁ খবর জেনে আমার ফেসবুকে মুস্তাকিনের চিকিৎসার সাহায্যের আবেদন চেয়ে একটি পোস্ট দেই। এই পোস্টের অর্থ আজ চিকিৎসার জন্য মুস্তাকিনের পরিবারকে তুলে দেওয়া হয়। আমি আশাকরি এই টাকা দিয়ে মুস্তাকিনের চিকিৎসা হবে । মুস্তাকিনের জন্য যারা সহযোগিতা করেছেন আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওলিউজ্জামান বলেন, মামুন বিশ্বাস হচ্ছেন মানবতার ফেরিওয়ালা। যেখানে মানবতা বিপন্ন হয় সেখানেই তিনি ছুটে যান। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে অসহায় মানুষের সাহায্যের আবেদন তুলে ধরেন। এ ধরণের আবেদন থেকে যে অর্থ আসে তা তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে অসহায় মানুষদের হাতে তুলে দেন। মামুন বিশ্বাস তার সততার কারণে সকল শ্রেণির মানুষের আস্তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। যমুনা টিভির ষ্টাফ রিপোর্টার গোলাম মোস্তফা বলেন, মামুন বিশ্বাসের এ ধরণের কার্যক্রমকে আমি সাধুবাদ জানাই। মামুনের এই মানবতা ও পাখির অভ্যায়শ্রমের সব কাজ গুলো আমাদের যমুনা টেলিভিশনে তুলে ধরি ও আগামীতে তুলে ধরার চেষ্টা করবো। মামুন বিশ্বাস সিরাজগঞ্জের শাহাজাদপুর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে গিয়ে যে ভাবে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ান সেটি সত্যিই প্রশংনীয় ।