মতামত

বাংলাদেশ করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছে!!


আমরাও গর্বের সাথে বলতে পারবো, ” ওরা পারলে, আমরাও পারি” – রকীব আহমেদ

বাংলাদেশ করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছে!!

ড. আসিফ মাহমুদ পরিচিতিঃ তিনি এসএসসিতে আইডিয়াল স্কুল থেকে ৭ম স্থান অধিকার করেন পরবর্তীতে নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে (বিএসসি) মাইক্রোবায়োলজিতে প্রথম শ্রেণীতে তৃতীয় স্থান এবং এমএসসিতে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। পরবর্তীতে গিফু ইউনিভার্সিটি, জাপান থেকে পিএইচডি লাভ করে কিছুদিন সহকারী অধ্যক্ষ হিসেবেও কর্মরত ছিলেন।

হ্যাঁ স্বপ্নে পাওয়া কোনো ফর্মুলা থেকে ভ্যাকসিন আবিষ্কার নয়! রীতিমতো বিজ্ঞান সম্মতভাবে ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছেন আমাদের দেশের বিজ্ঞানী। আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও অনেক কৃতীমান তৈরি হন, যারা মেধামননে উন্নত দেশগুলোর বিজ্ঞানীদের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। ওনার /ওনাদের বিজ্ঞানকে সমৃদ্ধ করার সেই কোয়ালিটি এবং ক্যাপাবিলিটি আছে। কিন্তু দুক্ষজনক হলো আমাদের এই সকল কৃতী সন্তানেরা দেশে সু্যোগের অভাবে বাইরে পাড়ি জমান আর উন্নত দেশগুলো তাদের মেধার ফায়দা নেয়, আর আমাদের দেশের জ্ঞান -বিজ্ঞান অবহেলিত থেকে যায়।

যাহোক, ড. আসিফ মাহমুদ যদি চাইতেন ইউরোপ-আমোরিকার কোনো দেশে রাজকীয় হালে থাকতে পারতেন। কিন্তু সৌভাগ্যবশত তিনি অন্যদের মত বিদেশ পাড়ি জমান নি।

“ওরা যদি পারে, আমরাও পারবো।” -এই ব্রত নিয়ে দেশে কাজ করছেন। আসিফ মাহমুদ গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড এ ইনচার্জ হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর সাক্ষাৎকারে “We cannot afford to lose people” বলতেই চোখ ছলছল করে উঠাটা হয়তো অনেকেরই নজর এড়িয়ে গিয়েছে, কিন্তু এর মধ্যে দেশের মানুষের জন্য কতোটা ভালোবাসা ছিলো তা সহজেই অনুৃমান করা যায়।

“বাংলাদেশ করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করার দাবী করেছে” – শুনতেই আমাদের দেশের অনেকেই হাসতে হাসতে অজ্ঞান হওয়ার উপক্রম হয়েছেন, ফেসবুকে ট্রল করছেন(!), মজা নিচ্ছেন(!), কিন্তু কেন? অথচ দফায় দফায় ট্রায়াল দিয়ে ব্যর্থ হওয়া বিভিন্ন দেশের ভ্যাকসিন আবিষ্কার এর খবর শেয়ার দিতে দিতে সবার টাইমলাইন ভরে ফেলেছেন।

নিজ দেশের প্রতি এতো অবিশ্বাস আমাদের? আমাদের দেশের হাজার হাজার মেধাবী তরুণরা বর্হিবিশ্বের বিভিন্ন টপ ক্লাস পজিশন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন এ খবরটা কি হয়তো আমাদের অনেকেরই অজানা? আজ যদি ড.আসিফ মাহমুদ অন্য কোনো দেশে বসে ভ্যাকসিন আবিষ্কার এর দাবী জানাতেন তাহলে কিন্তু আমরা মাথায় তুলে নাচতাম, কিন্তু এখন কি করছি?
যাইহোক সুখবর হলো

ইতিমধ্যেই খরগোশ এর দেহে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগে এন্টিবডি উৎপাদনের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। অন্যান্য কাজ এগিয়ে চলছে, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই আমরা সুখবর শুনতে পাব।আসুন প্রার্থনা করি যেন ক্লিনিক্যাল টেস্টে আমাদের আবিষ্কৃত ভ্যাকসিন সফলতা লাভ করে। সত্যি বলতে এরকম কিছু হলে পুরো বিশ্বে বাংলাদেশ হইচই ফেলে দিতে পারবে।

আমরাও গর্বের সাথে বলতে পারবো, ” ওরা পারলে, আমরাও পারি”

লেখকঃ রকীব আহমেদ
চেয়ারম্যান- বায়োভিস্তা বাংলাদেশ লিমিটেড

একই বিভাগের সংবাদ

Back to top button
x
Close
Close
%d bloggers like this: