শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি বিপ্লবীদের


আজ খাপড়া ওয়ার্ড গণহত্যা দিবস

১৯৫০ খৃস্টাব্দের ২৪ এপ্রিল রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে সংঘঠিত একটি গণহত্যা। এই গণহত্যায় মোট ৭ জন জেলবন্দীকে হত্যা করা হযেছিল। এছাড়াও সেদিনের ঘটনায় আহত হয়েছিলেন আরো ৩২ জন।

যারা নির্মম হত্যা কান্ডের শিকার হয়েছিলেন তাঁরা হলেন, ১. বিজন সেন ( রাজশাহী) ২. কম্পরাম সিংহ ( দিনাজপুর) ৩. হানিফ শেখ ( কুষ্টিয়া) ৪. সুধীন ধর ( রংপুর) ৫. দেলোয়ার হোসেন ( কুষ্টিয়া) ৬. সুখেন ভট্টাচার্য ( ময়মনসিংহ) এবং ৭. আনোয়ার হোসেন ( খুলনা)।

নিহত বিপ্লবীদের মধ্যে সুধীন ধর এবং বিজন সেন ছিলেন রেল শ্রমিক। হানিফ শেখ ছিলেন কুষ্টিয়া মোহিনী মিলের শ্রমিক নেতা। সুখেন্দ ভট্টাচার্য ছিলেন ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন কলেজের স্নাতক পরীক্ষার্থী। দেলোয়ার হোসেন ছিলেন রেলওয়ের লাল ঝান্ডা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা এবং আনোয়ার হোসেন ছিলেন খুলনার দৌলতপুর কলেজের ২ বর্ষের ছাত্র এবং ছাত্র ফেডারেশনের নেতা।

এই হত্যাকান্ড সে সময়ে হিটলারের ফ্যাসিস্ট নীতিকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। জেল হত্যা বললে আমরা সচরাচর ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের জেল হত্যাকেই বুঝিয়ে থাকি। কিন্তু ওই ৩রা নভেম্বর সম্পর্কে আমরা সকলেই কমবেশি অবহিত হলেও খাপড়া ওয়ার্ডের নিষ্ঠুর জেল হত্যা সম্পর্কে অতটা অবহিত নই।”

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫ দশক পাড় হলেও খাপড়া ওয়ার্ডের হত্যাকান্ডের ওই ৭ শহীদের আজও সম্মান দেখানো হয়নি। এ দিনটিকে জাতীয়ভাবে পালনের দাবী জানাই।